একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদের গল্প।

0
39

মোঃশামিম আহমেদ

আশুলিয়া প্রতিনিধিঃ

বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদ একজন গর্বিত মায়ের গর্বিত সন্তান। তিনি নিজের জীবনবাজী রেখে মহান স্বাধীনতা ঝাপিয়ে পড়ে এ দেশকে শত্রু মুক্ত করে আমাদেরকে স্বাধীনতা উপহার দিয়েছেন। আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদের মত গর্বিত মুক্তিসেনাদের জন্য আমরা এই স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বসবাস করে মুক্ত নিশ্বাস নিচ্ছি।

আজ এই বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদদেরকে আমরা কতটুকু সম্মান করতে পারছি সেটি আজকে জাতির কাছে আমার প্রশ্ন রয়ে গেছে।

এই বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদকে নিয়ে গর্ব করার আরো অনেক কারণ আছে। তিনি এই দেশ স্বাধীন করেই শুধু ক্ষান্ত হননি, দেশ স্বাধীন পর থেকেই এই বীর মুক্তিযোদ্ধা কলম সৈনিকদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, দক্ষিণ অঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিস্ট ইউনিটির চেয়ারম্যান, ঢাকা প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা কালীন সদস্য এবং বর্তমানে সিনিয়র উপদেষ্টা, বনানী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করে সাংবাদিকদের দাবী-দাওয়া আদায়ের বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলেছেন এবং নির্যাতিত-নিপীড়িত সাংবাদিকদের পক্ষে সব সময় কাজ করে যাচ্ছেন। তার জন্য বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ ‘প্রাউডফিল’ করে। এই রকম একজন পথিতযশা সাংবাদিক আমাদের মনের মনিকোঠায় আছে এবং থাকবে।

শুধু তাই নয় তিনি বাংলা-নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ডিজিটাল বাংলাদেশ, দৈনিক দেশপ্রেম পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক। টিভি বাংলা টুয়েন্টিফোর এবং ঢাকা টিভির চেয়ারম্যান এবং সিইওর দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে পালন করে আসছেন। তার এ সকল পত্রিকা এবং টিভির মাধ্যমে দেশের নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের কথা তুলে ধরে তিনি সমাজের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে আসছেন। আমরা তার মত একজন উজ্জ্বল প্রতিকৃতির দীর্ঘায়ু কামনা করি।

এছাড়াও এই প্রথিতযশা সাংবাদিক. বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদের পদচারনা রয়েছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও। তিনি লালন গবেষণা একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক জোটের নির্বাচিত সভাপতি। তিনি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কথা তার নিজের প্রতিষ্ঠিত ঢাকা টিভি মিউজিক-এর মাধ্যমে তুলে ধরেন। তিনি ঢাকা টিভি মিউজিক-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং সিইও।

তিনি লালন সাঁইজিকে নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণার কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশে-বিদেশে লালন সাঁইজির তত্ত্বকথা লালন ভক্তদের মধ্যে তুলে ধরেন। দেশের আনাচে-কানাচে লালন ভক্তদের একত্রিত করে তিনি লালন গবেষণা একাডেমীর পতাকাতলে আনার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এই মহান ব্যক্তির অবদান অনস্বীকার্য।

শুধু সাংস্কৃতিক অঙ্গন বা সাংবাদিক জগতেই নয়, তার পদচারণার রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনেও। তিনি এই অঙ্গনেও অনেক অবদান রেখেছেন। তিনি একাধারে একজন সাবেক ছাত্রনেতা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের একজন সক্রিয় কর্মী, এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাবেক ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাবেক রাজনৈতিক লিয়াজোঁ কর্মকর্তা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ বজলুর রহমান প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। আমরা এর সাফল্য ও মঙ্গল কামনা করছি ও নেক হায়াত বাড়িয়ে দিন এই কামনা করছি।