ঢাকার ধামরাইয়ে ৫ জন ভুয়া ডিবি পুলিশ আটক।

0
25

 

মোঃ সিরাজুল ইসলাম ধামরাই ( ঢাকা) প্রতিনিধি” ঢাকার ধামরাইয়ে ৪ ব্যবসায়ীকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে ৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। এরপর ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাল সিএনজির পচ্চিম পাশে তাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এর গ্রামের ভেতরের একটি রাস্তা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে ডাকাতের দলটি। এসময় ব্যবসায়ীদের ডাক চিৎকারে গ্রামের লোকজন তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি ধাওয়া দিয়ে সোমভাগ কাউন্সিল বাজারে ধরে ফেলে।

জানা যায় ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেলে ঢাকার মিরপুর থেকে মুরগি ব্যবসায়ী মোঃ সাফায়েত হোসেন মিঠুন।
মোঃ রমজান আলী। মোঃ ইয়াসিন। মোঃ সোহাগসহ চার জন মুরগি কেনার জন্য টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর যাওয়ার জন্য একটি পিকআপ গাড়ি নিয়ে মহাসড়ক দিয়ে রওনা হয়। তাদের গাড়িটি নবীনগর ক্যান্টমেন্ট এলাকায় পৌঁছালে ডাকাতদলের ব্যবহৃত মাইক্রোবাস যার নং ঢাকা মেট্রো-চ ১৯-৪৫৪৭ ব্যবসায়ীদের গাড়ির গতিরোধ করে এবং নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ব্যবসায়ীদের তাদের গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর মহাসড়কের ধামরাইয়ের পাল সিএনজির পাশে ফাঁকা স্থানে নিয়ে অস্ত্রেও মুখে জিম্মি করে ভয়ভীতি ও মারধর করে ৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকা লুটে নেয় এবং গাড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।

এসময় তারা চিৎকার করে পরে ডাকাতদের ব্যবহৃত গাড়িটি কালামপুর বাজার হয়ে সোমভাগ জয়পুরা সড়কে ঢুকে যায়। স্থানীয়দের সহোযোগিতায় মাইক্রোবাসটি ধাওয়া দেয় এবং ধরে ফেলে। গাড়িতে থাকা ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে জনতা তাদের আটকিয়ে গণধোলাই দেয়। পরে অবস্থা বেগতিক হলে স্থানীয় সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আটকিয়ে রেখে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, পিরোজপুর জেলার নুরুজ্জামানের ছেলে মোঃ রুবেল হোসেন, পটুয়াখালীর হানিফ মিয়ার ছেলে মোঃ শওকত হোসেন, ঝালকাঠির আবুল কালাম আজাদের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম, পটুয়াখালীর শাহজাহানের ছেলে নুরুল ইসলাম, একই এলাকার সানো মিয়ার ছেলে নুরুল। এ সময় আটককৃতদের সঙ্গে দুটি ডিবি পোশাক, একটি ওকি টকি ও একটি ম্যাইক্রোবাস ছিল।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি অপারেশন নির্মল দাশ জানান, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫ জন ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয় দানকারিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। জনতা তাদের প্রথমে আটক করে গণধোলাই দেয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এসময় তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। আজ আসামীদের রিমান্ড চেয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।