আশুলিয়ায় চিকিৎসককে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১।

0
10

বিষেশ প্রতিনিধি ,

সাভার,ঢাকাঃ

আশুলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক দম্পতিতে কুপিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে।এই ঘটনায় অভিযুক্ত ২ নং আসামী জামাল দেওয়ান (৪৫) কে গ্রেপ্তার করে দুপুরে আদালতে পাঠিয়েছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

শনিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে আশুলিয়ার শেরআলী মার্কেট সংলগ্ন ধলপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই রাত পৌনে ৮ টার দিকে আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকা থেকে প্রাইভেটকার যোগে নিজ বাড়ি কাঠগড়া উত্তরপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক আজহারুল দম্পতি। তিনি আশুলিয়ার শেরআলী মার্কেট সংলগ্ন ধলপুর এলাকায় পৌছলে অভিযুক্ত রকি দেওয়ানের মোটরসাইকেলে সামান্য ধাক্কা লাগে৷ এসময় রকি উত্তেজিত হয়ে অকথ্য ভাষায় বকাবাজী শুরু করেন। পরে ভুক্তভোগী তার প্রাইভেটকার থেকে নেমে ভদ্র ব‍্যবহার করার আহবান জানান। কিন্তু অভিযুক্ত রনি আরও উত্তেজিত হয়ে পাশের সাদ্দামের হোটেল থেকে একটি ছুরি এনে ভুক্তভোগী আজহারুলকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এসময় তার স্ত্রী রুমা গাড়ি থেকে নেমে স্বামীকে বাঁচাতে গেলে তার মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। পরে কামাল দেওয়ান ও জামাল দেওয়ান লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় রুমার গলায় থাকা ১ ভরি ওজনের ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায় অভিযুক্তরা। এঘটনায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পরে থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী চিকিৎসক আজহারুল ইসলাম।

এই মামলায় গ্রেপ্তার জামাল দেওয়ান আশুলিয়ার ধলপুর এলাকার আব্দুল মজিদ দেওয়ানের ছেলে। পলাতক অন্যান্য আসামিরা হলেন- একই এলাকার জামাল দেওয়ানের ছেলে রকি দেওয়ান (২৫) ও তার চাচা কামাল দেওয়ানসহ (৪৮) অজ্ঞাত আরও ২ থেকে তিন জন।

ভুক্তভোগী চিকিৎসক দম্পতি হলেন কাঠগড়া উত্তরপাড়ার আহসান উল্লাহর ছেলে ডা. আজহারুল ইসলাম (৩০), তিনি সাভারের এনাম মেডিক্যাল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়া আহত হন তার স্ত্রী ডা. রুমা আক্তার (২৭) ও তার শিশু সন্তান।

এ ব‍্যাপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ বিন কবির বলেন, এ ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।