রৌমারীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট।

0
61

এলাহী শাহরিয়ার নাজিম

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

রৌমারী উপজেলার সদর পশুরহাটে জমে উঠেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কোরবানির গরু কেনাকাটা। হাটে এবার কোরবানির যোগ্য দেশি গরু-ছাগলের সরবরাহ বেশ ভালো। ভারতীয় গরু নাই বললেই চলে। ক্রেতাদেরও বেশি পছন্দ দেশি গরু। উপজেলার খামারিরা এবার ৪ লাখ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের বেশ কিছু গবাদি পশু কোরবানিযোগ্য করে তুলেছেন।
জানা যায়, ৩/৪ বছর আগে উপজেলার হাটগুলোতে ভারতীয় গরু সরবরাহ বেশ ভালই ছিল। এ কারণে উপজেলায় দেশি জাতের গরুর চাহিদা কমে যায়। এর পর থেকে দেশি গরুর চাহিদা মাথায় রেখে খামারিদের মাঝে গরু লালন-পালনের ইচ্ছাও বেড়ে যায় কয়েকগুন। কোরবানির হাটকে সামনে রেখে রৌমারী উপজেলার খামারিরা পশু মোটা-তাজা করণ শুরু করেছেন। বেশি লাভের আশায় খামারিরা গরু হাটে তুলতে শুরু করেছেন।

রৌমারী সদর হাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দেশি গরুতে সয়লাব। ক্রেতাদের দেশিজাতের সুন্দর সাইজের গরু দেখে ক্রয়ের আগ্রহ বাড়ছে। একটি কোরবানির যোগ্য গরু কিনতে প্রায় ৮০ হাজার থেকে ২/৩ লাখ টাকার উপরে গরু বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে হাটে প্রচুর গরু উঠায় বিক্রয়ের দাম কমার আশঙ্কা করছেন খামারিরা।
বিক্রেতাদের মতে গরুর বাজার বর্তমানে ভালো। ক্রেতারাও সাধ্যের মধ্যে দেশি গরু কিনতে আগ্রহ বাড়ছে। তবে ভারত থেকে গরু আমদানি হলে দেশীয় গরুর দাম কমে যাবে, এমন আশঙ্কা করছে খামারি ও ব্যবসায়ীরা।
গরু খামারী সাহেদ, জোব্বার ও সামছুল বলেন, বর্তমান কোরবানির হাটে আমাদের দেশীয় খামারীদের প্রায় সব গরু রয়েছে। এমন অবস্থায় থাকলে আমরা মোটামোটি লাভবান হবো।
জামালপুর জেলা থেকে আসা ক্রেতা আব্দুস সবুর, জয়নাল, হযরত আলী বলেন, বর্তমান বাজারে দেশীয় খামারীদের সুন্দর স্বাস্থ্যের গরু এসেছে। দামও খুব বেশী নয়। সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। এবার কোরবানির গরু কিনতে হিমশিম খেতে হবে না।
হাট ইজারাদার সোয়েব আহমেদ সোহাগ বলেন, বর্তমান হাটে যে হারে দেশীয় খামারিদের গরু ছাগল উঠেছে। এখন পর্যন্ত ভারতীয় কোন গরু হাটে আসেনি। এমন অবস্থায় থাকলে হয়তো খামারীরা লাভবান হবে। আমরাও ভালো থাকবো। অন্যদিকে পুলিশের সহায়তায় আইনশৃংখা এবং হাটের পরিবেশ সুন্দর রাখার চেষ্টা করছি।