কুরবানির গরুর সংকট দেখা দিতে পারে বরিশালে।

0
7

খোকন হাওলাদার

 

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বরিশাল জেলায় ৮৫ হাজার পশুর চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলার খামারি ও পারিবারিক ভাবে উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই এসব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে ধারণা করছে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।

এবার গরুর হাটে পুরোপুরি স্বাস্থ্য বিধি মেনেই কোরবানি যোগ্য পশু বেচাকেনা করার হবে বলেও জানান দপ্তরটি।

বরিশাল জেলা প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর বরিশাল জেলায় ৮৫ হাজার পশু (বিশেষ করে গরু,মহিষ ও ছাগল) কোরবানি হয়েছে। সেই ধারণায় এ বছরও কোরবানীর জন্য ৮৫ হাজার পশুর চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘গত বছর করোনা ভাইরাসের প্রথম ঢেউয়ের মধ্যে ঈদ উল আযহা অর্থাৎ কুরবানির ঈদ উদযাপিত হয়। ওই বছর বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলায় ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ১৭১টি পশু কুরবানি হয়। যার মধ্যে ষাঁড়/বলদ ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৭৬৬টি, মহিষ এক হাজার ১০৯টি, গাভী/বকনা ২৩ হাজার ৪০১টি, ছাগল এক লক্ষ ৬৩ হাজার ৫২৯টি এবং ভেড়া এক হাজার ৩৬৬টি।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ‘এ বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই কুরবানির ঈদ। দফায় দফায় লকডাউন, বিধি-নিষেধের কারণে মানুষ অনেকটাই অর্থনৈতিক দুরবস্থায় আছেন। তাই এবারের ঈদে কুরবানির পশুর চাহিদা গত বছরের থেকে কিছু কমতে পারে। তার পরেও যে চাহিদা রয়েছে তা পূরণে ব্যর্থ হবে বরিশাল অঞ্চলের খামারিরা।

এর কারণ উল্লেখ করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. মনমথ কুমার সাহা বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের প্রভাবে এ বছর দক্ষিণাঞ্চলের খামারগুলোতে পশুর উৎপাদন কিছুটা কম। গত বছর যেসব পশু বিক্রি হয়নি সেগুলো এবার পুনরায় হাটে তোলা হবে।

তিনি বলেন, ‘বরিশাল বিভাগে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ২০ হাজার ৩৮৭ জন খামারি রয়েছেন। করোনাকালিন যাদের চাষাবাদের জন্য সরকারিভাবে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। ওইসব খামারে ১৫ জুলাই পর্যন্ত নিরাপদ গবাদিপশুর মাংস উৎপাদনে মাত্র এক লক্ষ ৩৮ হাজার ৩৭৪টি গবাদি পশুর হৃষ্ট-পুষ্ট (মোটা-তাজা) করা হয়েছে। যা আসন্ন কুরবানিতে যে চাহিদা রয়েছে তার থেকে দ্বিগুণেরও কম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here