২৪ এপ্রিল গার্মেন্টস শ্রমিকদের সরকারি ছুটি ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

0
43

মোঃসোহান আহমেদ সানাউল

বিষেশ প্রতিনিধিঃ

আজ ২৪ এপ্রিল গার্মেন্টস ট্রাজেডি রানা প্লাজা ধসের ৮ বছর পূর্ণ হল।২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল ঘটে এই ভয়াবহ ট্রাজেডি।গার্মেন্টস মালিক ও রানা প্লাজার মালিক রানার অবহেলায় ঐ দিন প্রান হারান প্রায় ১হাজার ১৩৮ জন নিরিহ শ্রমিক এবং পঙ্গুত্ব বরন করেন প্রায় দুই হাজারের অধিক শ্রমিক এছাড়াও এখোনো নিখোঁজ রয়েছে অনেকেই।২০১৩ সালের পর থেকে এই দিনটি শ্রদ্ধার সাথে মনে করে আসছেন পঙ্গুত্ব বরন কারি সকল শ্রমিক সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও শ্রমিক ফেডারেশন।

প্রতি বছরের ন‍্যায় বিশ্ব মহামাড়ি করোনা ভাইরাসের মধ্যে এ বছরও যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে পালিত হল এই দিনটি।৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় রানা প্লাজার সামনে স্মৃতি স্তম্ভে মোমবাতি প্রজ্বলোনের মধ্য দিয়ে নিহত ও আহত সকল শ্রমিকদের স্বরন করা হয়।এরপর আজ ২৪ এপ্রিল সকাল ৭ ঘটিকা থেকে যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বিভিন্ন শ্রমিক ও সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

পরে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার ফাঁসি ও অভিযুক্ত সকলকে বিচারের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান শ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।এসময় তারা বলেন ৮ বছর পূর্ণ হলেও এখনো কেন রানা জেলে বসে রাজত্ব করে যাচ্ছে। কেন তার ফাঁসি হয়নি এবং অভিযুক্তদের  কেন বিচার করা হয় নি।কেন এখনো দেয়া হয়নি শ্রমিকদের নায্য পাওনা।এসময় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা উল্লেখ করে শ্রমিক নেতারা বলেন,বিদ্রোহের পরেই সরকার অভিযুক্তদের বিচারের  আওতায় এনে বিচার করে নিহতদের পরিবারদের দেয়া হয়েছে সঠিক পাওনা।আজ ৮ বছর পেরিয়ে গেল রানা প্লাজা ট্রাজেডিতে অভিযুক্তদের বিচার হয় না।উল্টো এই ট্রাজেডিতে নিহত,আহত শ্রমিকদের নামে আসা বিভিন্ন তহবিলের অর্থ আত‍‍্যসাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে অনেক লম্পটরা।

এসময় আহত এক শ্রমিক অভিযোগ করে বলেন,আমি এই ঘটনায় পঙ্গুত্ব বরন করি কিন্তু আমি শুধুমাত্র ৫০ হাজার টাকা পাইছি।পরে দিবে দিবে বলে আর কোনো টাকা দেয়নি।আমি সরকারের কাছে আকুল আবেদন করছি রানা প্লাজার স্থানে বহুতল ভবন নির্মান করে সেখানে আহত ও নিহত সকল শ্রমিকের পরিবারের সংসার চালানোর অর্থের যোগান দেয়া হোক,আর অভিযুক্তদের তারাতারি বিচার করা হোক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here