ঈশ্বরদী পৌর নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে ধোকা দেয়ার অভিযোগ হাবিবের বিরুদ্ধে।

0
12
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি’তে যে ব্যক্তি একেবারেই দেউলিয়া।আত্নঅহংকারী শিষ্টাচার বহির্ভূত চরম বেয়াদবী আচরণগত কারনে সর্বক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতাহীন তরুণ, রাজনৈতিক অঙ্গনে যার পায়ের নীচে একেবারেই ভীত্ নেই বল্লেই চলে।যার ঈশ্বরদী পৌরসভার একটি কেন্দ্রে পুলিং দেয়ার খমতা হয় নাই।নির্বাচের আগে তো তার মুখ কেউ দেখেই নাই।আর নির্বাচনের দিন তো তার কোথাও দেখা পাওয়া যাই নাই।বিএনপির মতো এমন একটি বড় দলের পৌরসভার মেয়র পদে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করলেও তার সাথে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির কোন নেতা কর্মীকে দেখা যায় নাই তার সাথে।পৌর বিএনপির অনেক নেতাই বলেন যে এই নির্বাচন নামক তামাশা’কে জায়েজ করতেই সে ভোট করছে।
কিন্তু নির্বাচনের ২দিন যেতে না যেতেই ভেতরের আসল কিছু খবর বেরিয়ে আসতে শুরু করছে।
সে নিজেই ঘনিষ্ঠজনদের কাছে সে প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির শীর্ষ নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব নগদ১০ লাখ টাকা তার কাছে থেকে নিয়েছে।কথা ছিল নির্বাচন-কালীন সময়ে এক সময়কার আওয়ামী লীগ এর ছাএ নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সাথে নিয়ে  ঈশ্বরদীতে এসে পৌর নির্বাচনে প্রচারনা করবেন ও সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন কিন্তু নগদ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর লাপাত্তা হাবিব, তাহলে এক কথায় বোঝা যায় ধানেরশীষ এর প্রার্থীকে সে র্ধোঁকা দিয়েছেন।দিবেই বা না কেন তার জীবনে তো কোনদিন ধানের শীষ এ তো ভোটই দেন নাই।আর ধোঁকা দিবেই বা না কেন সে নিজেই তো ধানের শীষ প্রতীক পাওয়ার পর ও নিজের ভোট ধানের শীষ এ দেই নাই।নাম প্রকাশ না করা শর্তে ঈশ্বরদী পৌরসভার পদধারী  বিএনপির অনেক নেতা বলেন হাবিব একজন
আত্নঅহংকারী বেয়াদবী আচরণগত সমস্যা আছে তার।শুধু এই কারনে তার এই অবস্থা।ঈশ্বরদী থানা ও ঈশ্বরদী পৌর পদ ধারী  বিএনপির নেতাদের কথা হলো নতুন মুখ চাই আমরা যে সব সময় আমাদের পাশে থাকবে ও কর্মী নিয়েই রাজনীতি যে ব্যক্তি সবাই কে মূললায়ন করবে তাকেই আমরা চাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here