নান্দাইলে স্বামীর নির্যাতনে স্ত্রীর মৃত্যু,গ্রেপ্তার স্বামী।

0
25

তৌহিদুল ইসলাম সরকার

ময়মনসিংহ-প্রতিনিধিঃ

“ঘাতক পাষান্ড স্বামী সজিব মিয়ার” পার্শ্ববিক নির্যাতন ও মারপিটের আঘাতে তার স্ত্রী মর্জিনা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।ঘাতক সজিব মিয়া (২৫) কাজল মিয়ার ও মোছাঃ কল্পনা আক্তারের ছেলে। তার গ্রামের বাড়ী ময়মনসিংহের-নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীর পুর ইউনিয়ানের বাতুয়াদী গ্রামে।
জানা যায় ঘাতক সজিব মিয়া তার পার্শ্ববর্তী বাড়ীর মিরাশ আলীর মেয়ে মোছাঃ হোছনা আক্তার নামে তাহার সাথে প্রায় দুই বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে পরে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়।
পরে কিছু দিন যেতে যেতেই তাদের সংসারে ঝগড়া ঝাটি শুরু হয়। পরে ঝগড়া ঝাটির এক পর্যায়ে, গ্রাম্যে শালিশ দরবারে মাধ্যমে দেনমোহরের এক লক্ষ টাকা প্রদান এর মাধ্যমে প্রথম স্রীকে সরিয়ে দেয় সজিব।
পরে কিছু দিন যেতে না যেতেই দ্বিতীয় বিয়ের জন্য তার বাবা-মা কে অত্যাচার করে সজিব তারই জের ধরে, পার্শ্ববর্তী হোসেন পুর উপজেলার গোবিন্দ পুর ইউনিয়ানের সৈয়দ পুর গ্রামে মৃতঃ,,,,মেয়ে মোছাঃ মর্জিনা আক্তার (২০) সাথে প্রায় (এক) বছর আগে বিয়ে হয় তাদের,বিয়ে হওয়ার প্রায় দুই মাস পর থেকেই বাবা-মা সজিবকে বাড়ী থেকে বের করে দেন।।
তারপর সজিব নিজ বাড়ীতে কোন আশ্রয় না পেয়ে তার স্ত্রী মর্জিনাকে নিয়ে, গাজীপুরের শ্রীপুর মাওনায় থেকে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে গার্মেন্টস কর্মী হিসেবে কাজ করতো সজিব ও তার স্ত্রী মর্জিনা তখন তাদের সংসার ভালই চলতো পরবর্তী তাদের সাংসারে স্বামী স্ত্রীর  মধ্যে কারণে অকারণে বাক-বিতন্ডা ঝগরা-ঝাটির সৃষ্টি হওয়ার এক পর্যায়ে পাষান্ড স্বামী সজিব তার স্ত্রীর  উপর চরাও হয়ে রাগের মাতায় মর্জিনাকে বে-ধরক মারপিট করে গরুতর আহত করে।
পরে আহত অবস্হায় ০৬/১২/২০২০ ইং তারিখঃ (রবিবার) বিকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার মর্জিনাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে মর্জিনার সাথে থাকা লোকজনের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয় এবং প্রশাসনের হাতে পাষান্ড স্বামী ঘাতক সজিবকে সপোর্দ করা হয়।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here