কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সাড়াদেশে দেয়া হচ্ছে জোন ভিত্তিক লক ডাউন।।

0
16

বাংলার রূপ,নিজস্ব প্রতিবেদক।।

মহামাড়ী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা লাল, হলুদ, সবুজ জোন হিসেবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

রোগতত্ত্ব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) তথ্যমতে, রেড জোন হিসেবে ধরা হয়েছে  রাজধানীর যেসব এলাকায় ৬০ জনের বেশি করোনা পজেটিভ রোগী রয়েছেন।আর রেড জোন হিসেবে সেসব এলাকা শিগগির লকডাউন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রেড জোনের এলাকাগুলো হচ্ছে- আদাবর, আগারগাঁও, আজিমপুর, বাবুবাজার, বাড্ডা, বনশ্রী, বনানী, বংশাল, বাসাবো, চকবাজার, ডেমরা, ধানমণ্ডি, ইস্কাটন, ফার্মগেট, গেণ্ডারিয়া, গ্রিনরোড, গুলশান, হাজারীবাগ, যাত্রাবাড়ী, জুরাইন, কল্যাণপুর, কলাবাগান, কাকরাইল, কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও, লালবাগ, লালমাটিয়া, মালিবাগ, মিরপুর, মিরপুর-১, মিরপুর-১২, মগবাজার, মহাখালী, মোহাম্মদপুর, মতিঝিল, মুগদা, পল্টন, রাজারবাগ, রামপুরা, রমনা, শাজাহানপুর, শাহবাগ, শ্যামলী, শান্তিনগর, শেরেবাংলা নগর, তেজগাঁও, উত্তরা, ওয়ারী।

ইয়োলো জোন হিসেবে ধরা হয়েছে ঢাকা সিটির ক্ষেত্রে বিগত ১৪ দিনে কোনো এলাকায় ৩ থেকে ৫৯ জন  করোনা পজেটিভ রোগী থাকলে সেটি হবে ইয়েলো জোন। তবে ঢাকার বাইরের জন্য প্রতি লাখে ৩ থেকে ৯ জন রোগী থাকলেই সেটি ইয়েলো জোন বলে বিবেচিত হবে।

তবে গ্রীন জোন হিসেবে বিবেচিত হবে যদি কোনো এলাকায় ১৪ দিনের মধ্যে ৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়ে থাকে। অথবা কোনো রোগী না থাকলেও সেটি হবে গ্রিন জোনের আওতাধীন ।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শহরের কোনো এলাকায় রেড জোন ঘোষণা হলে সেখান থেকে কেউ বাইরে যেতে পারবেন না। সব ধরনের অফিসিয়াল কাজ (ফ্যাক্টরি, অফিস) ঘরে বসেই করতে হবে। তবে গ্রাম এলাকায় কৃষি কাজ করতে বাধা নেই। অসুস্থ হলেই শুধু হাসপাতালে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে।

আরও বলা হয়েছে জরুরি প্রয়োজনে নিত‍্যপন‍্য সামগ্রী  কেনার ব্যবস্থা থাকবে তবে সাইকেলসহ কোনো ধরনের যানবাহন ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এমনকি এইসব এলাকায়  নৌ, রেল বা সড়ক যোগাযোগও বন্ধ থাকবে। শহরাঞ্চলে মুদি ও ওষুধের হোম ডেলিভারি দেয়ার ব্যবস্থা থাকবে।তবে গ্রামে নির্দিষ্ট সময় ধরে দোকান খোলা থাকবে। গ্রামে কাঁচাবাজার খোলা থাকলেও শহরে সেটি থাকবে না।

অফিস পরিচালনায়  ইয়েলো জোনের ক্ষেত্রে ৫০ ভাগ লোকবল নিয়ে অফিস বা ফ্যাক্টরি চালানো যাবে। তবে জনাকীর্ণ ফ্যাক্টরির ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশ শ্রমিক নিয়ে কাজ করতে হবে। এছাড়া জরুরি চলাচলের ক্ষেত্রে একজন যাত্রী নিয়ে রিকশা, ভ্যান বা সিএনজি, ট্যাক্সি চলবে। নিজে অথবা আবাসিক ড্রাইভার থাকলে ব্যক্তিগত গাড়ি চালানো যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here