কালীগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে ষাটোর্দ্ধো এক ব্যাক্তির মৃত্য।।

0
5

 

মোঃআব্দুস সালাম(জয়)কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।।

 

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জে অসুস্থ অবস্থায় ইসরাইল নামে ষাটোর্ধ এক বৃদ্ধ মারা গেছে। শনিবার রাত ১২ টার দিকে হাসপাতালে নেবার পথে তার মৃত্যু হয়। গত ৪/৫ দিন ধরে তিনি ঠান্ডা, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। এ কারনে তিনি করোনা আক্রান্ত হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সে উপজেলার জামাল ইউনিয়নের খানজাপুর গ্রামের মৃত অকিল লস্করের পুত্র। রোববার সকালে মৃহদেহের করোনা পরিক্ষায় নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এরপর কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজুর রহমানের নির্দ্দেশে এসআই আবুল খায়ের এর নেতৃত্বে ১০ সদস‌্যের একটি টিম নিয়ে ওই গ্রামে গিয়ে লাশ দাফনের ব্যাবস্থা সম্পন্ন করেন।

নিহতের মেয়ের জামাই বোরহান উদ্দিন জানান, তার শ্বশুর গত ৪/৫ দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। এছাড়া তার সর্দি ও শ্বাসকষ্টও ছিল। গত শুক্রবার বিকেলে তার বাড়িতে আসেন। শনিবার রাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শামীমা শিরিন মৃত ব্যক্তির সাথে থাকা স্বজনদের বরাত দিয়ে বলেন, চারদিন ধরে জ্বর ঠান্ডা-কাশিতে ভুগছিল ওই ব্যাক্তি। শনিবার রাত ১২ টার দিকে হাসপাতালে আনার পথে তিনি মারা যান।
তিনি আরো জানান, হাসপাতাল থেকেই মারা যাওয়ার এক ঘন্টার মধ্যে তার করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন। আজকের মধ্যেই তার রিপোর্ট পাওয়া যেতে পারে বলে জানান তিনি। সকালে তার মৃতদেহটি গ্রামে পাঠানোর জন্য থানা পুলিশকে অবহিত করলে এস আই আবুল খায়ের নিজে হাসপাতালে উপস্থিত থেকে সার্বিক ব্যাবস্থা করেন। এছাড়াও ওই পুলিশ সদস্য মৃত ব্যক্তির গ্রামে গিয়ে লাশ দাফন সম্পন্ন করেন।

এ ব‌্যাপারে কালীগঞ্জ থানা অফিসার্স ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান মিয়া জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিকে রবিবার সকালে স্বজনদের হাতে হস্তান্তর করা হয়। এরপর মৃত ব্যক্তির এক ছেলে, এক ভাই, পুলিশসহ ১০ জনের একটি টিম জানাযা শেষে খাঞ্জাপুর গ্রামের সম্মিলিত কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।এছারা রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিহতের পরিবার ও মেয়ের জামাই বাড়ির সকলকে বাড়ির বাইরে না আসার নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে গ্রামের কেউ এগিয়ে না আসলেও তার জানাযায় ইমামতি করেন কালীগঞ্জ শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদের ঈমাম ফারুক নোমানী। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম সাংবাদিক মাওলানা রুহুল আমিন, হাফেজ হেদায়াতুল্লাহ, মাওলানা ইয়াসিন, মাওলানা আতাউর রহমান ও হাফেজ শাহ জালাল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here