ভোলার চরফ‍্যাশনের শশীভূশন থানার ব্রীজের নীচে পতিতাবৃত্তির গোপন স্থান।।।

0
24

 

মোঃ আবুল কাশেম, স্ট‍্যাফ রিপোর্টার,

দৈনিক বাংলার রূপ, চরফ‍্যাশন, ভোলা।।

সন্ত্রাসবাদী ভোলা জেলার সন্ত্রাসবাদী চরফ‍্যাশন উপজেলার সরাসবাদী আবুবকরপুর ও সন্ত্রাসবাদী কলমীর মোড় সড়কে লেতরা খাল বা শশীভূষন খাল এর উপর নয়া ব্রীজ নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। সন্ত্রাসবাদী ইউনিয়ন আবুবকরপুর যা সাবেক সন্ত্রাসবাদী আমিনাবাদ ইউনিয়নের অংশ ছিল। উক্ত সন্ত্রাসবাদী আবুবকরপুর ভায়া সন্ত্রাসবাদী এওয়াজপুর হয়ে সন্ত্রাসবাদী রসুলপুর এর সন্ত্রাসবাদী কলমীর মোড় সড়কে লেতরা খাল বা শশীভূষন খালের উপর নির্মিত নয়া ব্রীজের দুই এপ্রোচ অংশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর টহল টিম এর অবস্থান নেওয়া ছাড়া কোনভাবেই ব্রীজসমেত সড়ক জনচলাচল উপযোগী হচ্ছে না। ব্রীজ নির্মাণের পর কয়েকদিনের মাথায় স্থানীয় বালি ব‍্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হাওলাদার দাবীদার জাহাঙ্গীর মাঝি গং, চিডু মাঝি হাওলাদার দাবীদার চিডু মাঝি গং ও ছালেম মাঝি হাওলাদার দাবীদার ছালেম মাঝি গং গভীর রাতে দুই এপ্রোচ অংশের বালি ট্রাকে তুলে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও এলাকায় জঙ্গিবাদ দমনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য ঐ সরকারী সড়কটি পতিত করে ফেলার চক্রান্তে এক প্রকার রাষ্ট্রদস‍্যু প্রকৃতির লোকেরা তৎপর রয়েছে। তাদের তৎপরতায় ও সরকারের চরম ব‍্যর্থতায় ঐ ব্রীজ সমেত রাস্তায় বিভিন্ন খানা-খন্দকের সৃষ্টির কারনে ঐ রাস্তাটি গত পাঁচ বছর যাবত লোক সমাজে জনচলাচলের অনুপযুক্ত করে রাখা হয়। উন্নয়নের দূর্ঘন্ধ নামে দেশি-বিদেশি মিডিয়ায় ঐ ব‍্যাপারে বিভিন্ন খবরা-খবর প্রচার হলে উভয় এপ্রোচ অংশ পুনরায় কে বা কাহারা বালি দিয়ে ভরাঠাকুর করে। উক্ত ভরাট কাজে অনেক আলেম ওলামাকেও বেলচা ঠেলে বালি ফেলতে দেখা গিয়েছিল। কয়েক দিন জনচলাচল উপযোগী হওয়ার পর পুনরায় ঐ ব্রীজের গার্ডার অংশ লিংক স্থলে (ছবিতে দৃশ‍্যমান) পুনরায় কে বা কাহার দ্বারা গোপনে খানাখন্দক তৈরীর কাজ চলছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, নয়া ব্রীজ দেখার নাম করে আসা যুবক-যুবতিদেরকে গোপন মেলামেশা করার নিরাপদ স্থান বানিয়ে দিয়ে যৌন মেলামেশায় মগ্ন রেখে নিকটস্থ থানায় ধরিয়ে দেওয়ার নামে মুক্তিপন আদায়কারী চক্রের ব‍্যস্থাপনায় ব্রীজের দুই এপ্রোচ অংশে খানা-খন্দক চালু রাখার ব‍্যবস্থা করা হয়। যাতে ঐ সড়কটি জনচলাচল মুক্ত থাকে। মুক্তিপন আদায়ে বাড়াবাড়ির কারনে নিকটস্থ থানায় পুলিশ এর উপস্থিতি সৃষ্টি করলে আদায়কৃত এক লক্ষ টাকার পঁচিশ হাজার টাকা পুলিশের নিকট খবর প্রদানকারীদের প্রাপ‍্য। আর বাকী পঁচাত্তর হাজার টাকা নিকটস্থ থানা পুলিশ পায় বলে খোঁজ পাওয়া গেছে। আর পুলিশ ছাড়া পুরো টাকা আদায় করতে পারলে আদায়কারীচক্র পুলিশকে এক টাকাও দেয় না বলে খোঁজ পাওয়া গেছে। তাই পঁচিশ হাজার টাকা পাওয়া মুক্তিপন আদায়কারী চক্রের, পঁচাত্তর হাজার টাকা পাওয়া নিকটস্থ থানা পুলিশ চক্র কিংবা এক লক্ষ টাকা আত্মসাৎকারী মুক্তিপন আদায়কারী চক্র বুঝতে পেরেছে যে, যত বেশী ক্লাইন্ট পাবে তাদের ততবেশী ইনকাম‌। এজন‍্য তারা গোপন পতিতা ব‍্যবসাস্থল সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উক্ত ব্রীজ এর নীচে যুবক-যুবতি মেলামেশা করার বিছানা পেতে রাখে‌। আর ঐ ব্রীজ স্থলে উক্ত পতিতাবৃত্তির ব‍্যবসার গোপন হাট-বাজার বসানোর জন‍্য মুক্তিপন আদায়কারী চক্র সড়কটি অজনবান্ধব করার প্রচেষ্টারত। এহেন কাজে ভোলা জেলার ব্রীজ নির্মাণ কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় থানা পুলিশ জড়িত আছে বলে খোঁজ খবর শুনা যায়। স্থানীয় কিছু বাসিন্দা দূরদূরান্তাগত বাসিন্দাদের সহযোগে মুক্তিপন আদায়কারী চক্র গঠন করেছে বলে শুনা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here