দৈনিক এক্সারসাইজের জন্য উদ্ভাবন করলেন টাই সাইকেল।

0
21

 

 

 বাংলাদেশ এই প্রথম তৈরি করলো  অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এক্রাসারসাইস টাই সাইকেল।
সাইকেলটির নাম দেয় এক্রাসারসাইস টাই সাইকেলটি। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এক্রাসারসাইস টাই সাইকেলটি তৈরি করেন আব্দুল জলিল সাহেব। তিনি পেশায় একজন  গাড়ির ড্রাইবার। তার  নির্মিত  সাইকেলটি  ঘণ্টা প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম। জলিল সাহেব যার গাড়ির ড্রাইভিং করতেন ওই মালিকের কাছ  থেকে ধারণা ও উৎসাহ নিয়ে নিজের কৌশল ও মানসিকতা কাজে লাগিয়ে তৈরি করলো এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এক্রাসারসাইস টাই সাইকেল।
 সাইকেল নির্মিত আব্দুল জলিলের কাছ থেকে জানা গেছে তার স্যার (ওয়াসিম ইউনুস সাহেব) তাকে কিছুদিন আগে এই বিষয়ে ধারণা দিয়েছেন এবং তার আর্থিক  সহযোগিতায় তৈরি করেন এই সাইকেল। এটি  তৈরি করার জন্য তার পূর্বে কোন পরিকল্পনা ছিলো না তাই ছোট খাটো বাধার মধ্যমে এই সাইকেলটি তৈরি করেন। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এক্রাসারসাইস টাই সাইকেলটি তৈরি করতে তার সময় লাগে ৩ মাস।
এই সাইকেল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়েছে তিনটি চাকা যার প্রতেকটির সাথে আছে আলাদা আলাদা হাইড্রোলিক ব্রেক। এটার বডি তৈরি করেন অ্যলুমনিয়াম দিয়ে এবং এটায় মটোর সিষ্টেম করা আছে কিন্তুু  এখনো ব্যাটারি লাগানো হয়নি। এখন এটি প্যাটেল এর মাধ্যমে চলে। এটায় মটরসাইকেলর মতো গিয়ার কমানো বাড়ানোর ব্যবস্তা আছে।
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এক্রাসারসাইস টাই সাইকেলটি তিনি তৈরি করেন তার স্যারের জন্য।  এটি ব্যবহার করা হবে শারীরিক ব্যামের চাহিদা মেটানো সহ ঘোড়া-ফেরার জন্য।
কোন সমস্যা আছে নাকি তা দেখার জন্য আব্দুল জলিল জানায় এটা তিনি রাস্তায় ৩-৪ বার চালিয়েছে এবং চলাচলে কোন সমস্যা হয়নি তাই  তিনি মনে করেন তিনি সফল হয়েছে।
আব্দুল জলিল বলেন রাস্তায় তাকে অনেকে এটা  বানিয়ে দেওয়ার জন্য আর্ডার করছে। কিন্তু তিনি এই ব্যপারটা নিয়ে পরে ভাববেন বলে জানায়।
তার এই সাইকেল  নিয়ে পরবর্তী পরিকল্পনা জানতে চাইলে তিনি বলেন এটাকে আরো ছোট করে স্মাট ভাবে তৈরি করবেন। তার আর একটা পরিকল্পনা সম্পর্কে জানায় যে তিনি বিদ্যুত উৎপাদন নিয়ে ভাবছেন। তিনি আদি বিদ্যুত উৎপাদন করবেন। তবে এটা নিয়ে এখনো কোন কাজ করেনি। খুব তারাতাড়ি তা শুরু করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here