ঢাকার ধামরাইয়ে রাতে কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে সকালেই।

0
42

মোঃ সিরাজুল ইসলাম (স্টাফ রিপোর্টার)
ঢাকার ধামরাই উপজেলার সূতিপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে নান্নার সড়কে রাতে করা কার্পেটিং পরদিন হাত দিয়ে ধরলে বা পা দিয়ে ঘষা দিলেই উঠে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা বলছে, গত মঙ্গলবার রাতে ঠিকাদারের লোকজন তড়িঘড়ি করে নিম্নমানের কাজ করায় কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গাফিলতি ও তদারকির অভাবে নিম্নমানের কার্পেটিং করার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

ইতিমধ্যে এই সড়কের কার্পেটিং উঠে যাওয়ার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, রাস্তাটির অনেক জায়গায় কার্পেটিং উঠে গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে এবং রাস্তার কার্পেটিং উঁচুনিচু হয়েছে।

ধামরাই উপজেলার এলজিইডি অফিস থেকে জানা যায় ২০২১-২২ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে সূতিপাড়া- নান্নার সড়কের চার কিলোমিটার কার্পেটিংয়ের কাজ (টেন্ডারের মাধ্যমে) প্রায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইশরাত বিল্ডার্স এন্টারপ্রাইজ। ম্যাকাডাম করে প্রায় সাত মাস ফেলে রেখেছিলেন রাস্তাটি। এতে রাস্তার খোয়া উঠে গিয়ে ধুলাবালিতে পরিণত হয়েছিল। সেই ধুলোবালির উপর দিয়েই গত বৃহস্পতিবার রাতে রাস্তায় কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু করেন ঠিকাদারারের লোকজন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সড়কটির ধাইরা সেতুর কাছ থেকে প্রায় এসডিআই অফিস পর্যন্ত কার্পেটিং করা হয়েছে। পুরো রাস্তায় ফাটল ধরে কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। হাত দিয়ে ধরলে বা পা দিয়ে ঘষা দিলে কার্পেটিং উঠে যায় এবং পুরো রাস্তাটি উঁচুনিচু হয়েছে, এতে গাড়ি চালকরা বলেন রাস্তার কাজ আমাদের জীবনে এরকম কখনো দেখিনি, এই রাস্তাটি কার্পেটিং এত উঁচুনিচু হয়েছে যে একজন ডেলিভারি রুগী নিয়ে যাওয়া ও বিপদজনক।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক সেন্টু মিয়া বলেন, কিছু কিছু স্থানে কাজ খারাপ হয়েছে। তবে ওই রাস্তার পাশে ইটভাটার কাজে ব্যবহৃত কয়লা ও ইটভর্তি ট্রাক চলাচল করায় কিছু স্থানে ফাটল ধরেছে।

এবিষয়ে ধামরাই উপজেলা প্রকৌশলী তরুণ কুমার বৈদ্য বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। নতুন করে কার্পেটিং করতে ঠিকাদারকে বলা হয়েছে।